ফুটবল ইতিহাসের প্রায় সব বড় অর্জনই নিজের করে নিয়েছেন লিওনেল মেসি। আটটি ব্যালন ডি’অর, অসংখ্য ক্লাব ও আন্তর্জাতিক শিরোপা এবং ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর অনেকেই ধারণা করেছিলেন, তাঁর সাফল্যের গল্প হয়তো পূর্ণতা পেয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।
৩৯ বছরে পা রাখতে চলা আর্জেন্টাইন মহাতারকা এখনও জাতীয় দলের হয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত। তাঁর লক্ষ্য ব্যক্তিগত কোনো রেকর্ড নয়; বরং আর্জেন্টিনাকে নিয়ে আরও একটি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন।
সাবেক আর্জেন্টাইন ফুটবলার ম্যাক্সি রদ্রিগেজের মতে, মেসির সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর অদম্য সাফল্য-পিপাসা। ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশের হয়ে কিছু অর্জনের তাগিদই মেসিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। নতুন রেকর্ড গড়া নয়, বরং জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করার গর্বই তাঁকে অনুপ্রাণিত করে।
রদ্রিগেজের ভাষায়, এই মানসিক দৃঢ়তা ও জয়ের ক্ষুধাই মেসিকে আজকের অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। আর সেই কারণেই ফুটবলপ্রেমীরা আরও একটি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সিতে তাঁকে দেখতে যাচ্ছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অভিযান শুরু হবে ১৬ জুন কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। গ্রুপ ‘জে’-তে তাদের অন্য প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া ও জর্ডান।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতির মধ্যেই মেসির ব্যক্তিগত অর্জনের তালিকায় যুক্ত হয়েছে নতুন এক সম্মান। ক্রীড়াক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন ২০২৬ সালের ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড’। এই পুরস্কার শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পাশাপাশি খেলাধুলায় বিশেষ অবদানের জন্য দেওয়া হয়। মেসিই প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মান অর্জন করেছেন।