২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সময় মাঠে খেলোয়াড়দের উপস্থিতির নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা। এতদিন কেবল শুরুর একাদশের খেলোয়াড়রা জাতীয় সঙ্গীতের সময় মাঠে থাকলেও এবার স্কোয়াডের সব সদস্যকে মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে।
আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। ৪৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টে প্রতিটি দলের ২৬ সদস্যের পুরো স্কোয়াড জাতীয় সঙ্গীতের সময় মাঠে নামবেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দুই দলের খেলোয়াড় ও ম্যাচ কর্মকর্তারা মাঠের কেন্দ্রীয় বৃত্তে বিশেষ বিন্যাসে অবস্থান করবেন।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এক বিবৃতিতে বলেন, বিশ্বকাপের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি দর্শকদের অভিজ্ঞতাকে আরও আকর্ষণীয় করতে ম্যাচপূর্ব আয়োজনে নতুনত্ব আনা হচ্ছে। তাঁর মতে, জাতীয় সঙ্গীতের সময় সব খেলোয়াড়ের একসঙ্গে মাঠে উপস্থিতি ঐক্য, গর্ব এবং প্রতিযোগিতার আবেগকে আরও ভালোভাবে তুলে ধরবে।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও থাকছে বিশেষ আয়োজন। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জনপ্রিয় কলম্বিয়ান সংগীতশিল্পী শাকিরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। তাঁর সঙ্গে থাকবেন নাইজেরীয় সংগীতশিল্পী বার্না বয়। এর আগে ২০১০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করেছিলেন শাকিরা।
এ ছাড়া কানাডায় আয়োজিত প্রথম ম্যাচের আগে সংগীত পরিবেশন করবেন মাইকেল বুবলে ও অ্যালানিস মরিসেট। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচের আগে মঞ্চে উঠবেন ক্যাটি পেরি, ফিউচার এবং লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক একটি ব্যান্ড।
মাঠের খেলাতেও কিছু নতুনত্ব আনার পরিকল্পনা রয়েছে। কর্নার ও দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনায় ভিডিও সহকারী রেফারি ব্যবহারের পাশাপাশি গোল কিক ও থ্রো-ইনের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং প্রতিটি অর্ধে ড্রিঙ্কস ব্রেকের ব্যবস্থাও রাখা হতে পারে।
তিন দেশে আয়োজিত এই বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর, যেখানে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।