হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্যান্সের স্ত্রী ঊষা ভ্যান্সের পরিবারের শিকড় দক্ষিণ ভারতে। তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ি ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে ভ্যান্স বলেন, তাঁর পরিবারের শিকড় কোথায়, তা সবাই জানেন। দক্ষিণ ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা শ্বশুর-শাশুড়িকে তিনি ভালোবাসেন। তাঁদের মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে দেশটির সেকেন্ড লেডি। স্ত্রীকে নিয়ে তিনি গর্বিত বলেও উল্লেখ করেন।
তবে বিদেশি কর্মীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন নাগরিকদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন ভ্যান্স। তাঁর বক্তব্য, কোনো প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মী নিয়োগের যুক্তি দেখিয়ে আগে থেকে কর্মরত মার্কিন নাগরিকদের চাকরিচ্যুত করতে পারে না।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম বা পিইআরএমের আওতায় আবেদনপ্রক্রিয়া স্থগিতের ঘোষণা দেয়। তালিকায় মাইক্রোসফট, কগনিজ্যান্ট, ইনফোসিস, টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস, উইপ্রো, এইচসিএল ও ক্যাপজেমিনির মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ায় পিইআরএম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মাধ্যমে নিয়োগকর্তারা বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের আবেদনে স্পনসর করতে পারেন।
বিদেশি কর্মীদের ‘চুক্তিবদ্ধ দাস’ হিসেবে বর্ণনা করার ঘটনায় ভারত এর আগে তীব্র প্রতিবাদ জানায়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মন্তব্যটিকে অযৌক্তিক ও গভীরভাবে আপত্তিকর বলে উল্লেখ করে। ভারতীয় পেশাজীবীরা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও উদ্ভাবন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন বলেও জানায় দেশটি।
ভ্যান্সের সর্বশেষ বক্তব্যে বিদেশি কর্মীদের প্রতি সম্মান দেখানোর কথা উঠে এলেও মার্কিন কর্মীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অবস্থানে তিনি অনড় রয়েছেন। ফলে এইচ-১বি ভিসা ও বিদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান নিয়ে বিতর্ক এখনো অব্যাহত রয়েছে।



মন্তব্য করুন