এ ছাড়া সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ায় ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার সদস্য ও বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন ডেমোক্র্যাটরা। প্রয়োজনে প্রতিনিধি পরিষদে প্রেসিডেন্টকে অভিশংসনের প্রস্তাবও তুলতে পারবেন। তবে অভিশংসনের পর সিনেটে পদচ্যুত করতে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন হবে, যা ডেমোক্র্যাটদের একার পক্ষে অর্জন করা কঠিন।
অন্যদিকে, আইন পাসের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে থাকবেন ট্রাম্প। কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও প্রেসিডেন্ট যেকোনো বিলে ভেটো দিতে পারবেন। সেই ভেটো বাতিল করতে উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন।
ডেমোক্র্যাটদের অন্যতম অগ্রাধিকার হবে নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি মেডিকেড এবং ওবামাকেয়ারের কর ছাড় পুনর্বহাল করা। পাশাপাশি ইরান যুদ্ধ সীমিত করা ও ইসরায়েলে সামরিক সহায়তার বিষয়েও দলটি উদ্যোগ নিতে পারে।
তবে ইসরায়েল ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ এবং পররাষ্ট্রনীতিতে রিপাবলিকানদের বিরোধিতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, আগামী দুই বছর হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন বাড়তে পারে। ফলে ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনী বিজয় ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করলেও সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সহজ হবে না।


মন্তব্য করুন