https://timenewsbangla.com

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
মাদক চোরাচালান, মাদকের বিস্তার রোধ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শীর্ষ মাদক কারবারিদের একটি নির্মোহ তালিকা প্রস্তুত করা হবে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার হিল ডাউন সার্কিট হাউজে জেলা মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নসংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, টাস্কফোর্স কমিটি নিরপেক্ষভাবে মাদক চোরাকারবারি ও ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করবে। পরে সেই তালিকা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, মাদক পাচারের গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে যৌথ বাহিনী ও স্থানীয় বাহিনীর সমন্বয়ে ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নদীপথ ও সমুদ্রপথে মাদক পাচার ঠেকাতে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের টহল আরও জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, টেকনাফ ও উখিয়া এলাকার জেলে এবং নৌযান নিবন্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে মাদক চোরাচালানে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সহজ হবে।
টেকনাফের পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ রোধে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় দুটি নতুন ক্যাম্প স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, এপিবিএন, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শুক্রবার কক্সবাজারে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। সকালে তিনি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) কার্যালয় পরিদর্শন করবেন। পরে কউকের ‘ফ্ল্যাট উন্নয়ন প্রকল্প-১’ উদ্বোধন এবং কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে রাতে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন।