https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ পরীক্ষা ও ডোপ টেস্ট করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।
তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত ও আসামিদের আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দি থেকে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও তার মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তে তাদের মৃত্যুর কারণ শ্বাসরোধ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, জবানবন্দি অনুযায়ী ইয়াবা সেবনের পর ভোরে গণপতি চক্রবর্তী দুই আসামিকে ছাদে দেখে ফেলেন। তিনি তাদের ধমক দিলে তারা তাকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে স্ত্রী ও মেয়ে ছাদে এলে তাদেরও হত্যা করা হয়।
এরপর তারা ঘরে গিয়ে শিশুটিকে জেগে থাকা অবস্থায় দেখতে পান। শিশুটি সিদ্ধার্থকে চিনে ফেলায় তাকেও কাপড় দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ রয়েছে।
পুলিশের দাবি, হত্যার পর ঘটনাটিকে চুরি বা ডাকাতি হিসেবে দেখাতে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করা হয়। বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নেওয়া হয়। মাদক ব্যবসায়ী শান্তের কাছ থেকে ইয়াবা নেওয়ার তথ্যও জবানবন্দিতে এসেছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আসামিদের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে তারা আট থেকে নয়টি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। এসব তথ্য যাচাই করতেই তাদের ডিএনএ ও ডোপ টেস্ট করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।