কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার সকাল ১০টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। সফরকে ঘিরে বিমানবন্দর ও আশপাশ এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সফরসূচি অনুযায়ী, কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী কর্মসূচি মূলত উন্নয়ন প্রকল্প, রাজনৈতিক সমাবেশ এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে।
তিনি কক্সবাজার সদরের পিএমখালী এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খনন করা ‘পাতলীখাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন। এরপর দুপুরে চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন।
দুপুরের পর তাঁর কর্মসূচিতে রয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান–২৪-এ কক্সবাজারের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ। একই সঙ্গে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে।
এরপর পেকুয়ার একটি স্থানীয় বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রামের পর বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনালে আয়োজিত একটি রাজনৈতিক জনসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা শেষে কক্সবাজার শহরে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন এবং মেরিন ড্রাইভ ও সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করবেন। দিনের শেষভাগে তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন সমন্বিতভাবে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সফরসূচির প্রতিটি কর্মসূচি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।