https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘বি’-তে কাতারের বিপক্ষে সুইজারল্যান্ডের ১-১ গোলের ড্র ম্যাচে দেওয়া একটি পেনাল্টি ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে ঘটনাটির ব্যাখ্যায় ফিফা জানিয়েছে, এটি মূলত সম্প্রচার-সংক্রান্ত একটি কারিগরি সমস্যার ফল, ভিএআরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রভাব পড়েনি।
ম্যাচের ১৪তম মিনিটে রেমো ফ্রয়লারের ওপর ফাউলের ঘটনায় সুইজারল্যান্ড পেনাল্টি পায়। স্পটকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ব্রিল এমবোলো। তবে পেনাল্টির আগে আক্রমণ গড়ে ওঠার মুহূর্তে সুইস খেলোয়াড়রা অফসাইডে ছিলেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে ভিএআরের থ্রিডি অফসাইড অ্যানিমেশন সম্প্রচারে দেখানো হয়। কিন্তু ওই ম্যাচে সেই গ্রাফিক্স প্রদর্শিত হয়নি। পাশাপাশি রিপ্লে ফুটেজও পরিষ্কার না হওয়ায় সমর্থক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়।
বিতর্কের জবাবে ফিফা এক বিবৃতিতে জানায়, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ায় অনুষ্ঠিত কাতার-সুইজারল্যান্ড ম্যাচে সাময়িক প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে অনসাইড-অফসাইড অ্যানিমেশন তৈরি করা সম্ভব হয়নি। তবে সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করা হয় এবং ভিএআরের স্বাভাবিক কার্যক্রম এতে ব্যাহত হয়নি।
ফিফা আরও দাবি করে, ভিএআর নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করেই মাঠের সিদ্ধান্ত যাচাই করেছে এবং সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়রা অনসাইডেই ছিলেন। এ দাবির সমর্থনে কিছু স্থিরচিত্রও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা পূর্ণাঙ্গ থ্রিডি অ্যানিমেশন এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
ফুটবল বিশ্লেষক ও সাবেক ইংল্যান্ড তারকা গ্যারি নেভিল ফিফার অবস্থানের সমালোচনা করেছেন। তার মতে, প্রযুক্তির মাধ্যমে সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ না করায় প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
নেভিল বলেন, সমর্থক ও বিশ্লেষকরা সিদ্ধান্তের পক্ষে প্রমাণ দেখতে চান। যদি প্রযুক্তিগতভাবে সিদ্ধান্ত সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে সেই তথ্য প্রকাশে কোনো বাধা থাকার কথা নয়। তার দাবি, স্বচ্ছতার অভাবই বিতর্ককে আরও বাড়িয়ে তুলছে।