https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিপাত কমে আসায় কুড়িগ্রামের নদ-নদীগুলোর পানি নামতে শুরু করেছে। তবে দুধকুমার নদ এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চলে দুর্ভোগ কাটেনি। নদী অববাহিকার প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার প্রায় সব নদীর পানি কমছে। ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ৬৭ সেন্টিমিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে ৫৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা নদীর পানিও কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার নিচে নেমেছে।
তবে দুধকুমার নদের পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। পাটেশ্বরী পয়েন্টে নদীটির পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল মান্নান জানান, দুধকুমারের পানি বেড়ে মিয়াপাড়া ও মুড়িয়ারহাট এলাকায় বেড়িবাঁধ-সংলগ্ন সড়ক তলিয়ে গেছে। পানি ঢুকে পড়েছে লোকালয়ে। এতে ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, সোমবার বিকেল থেকেই জেলার সব নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে দুধকুমার এখনও বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। নাগেশ্বরীর মুড়িয়ারহাট এলাকায় ডুবে যাওয়া বেড়িবাঁধ রক্ষায় জিও ব্যাগ ফেলে পানি প্রবেশ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
এদিকে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, পানিবন্দি মানুষের সহায়তায় ২ লাখ টাকা এবং ১ হাজার ১০০ প্যাকেট শুকনা খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।