https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী আনসার আল্লাহ (হুথি) সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের কিং খালিদ বিমানঘাঁটি এবং জিজান অঞ্চলের তেল স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে। ইয়েমেনে সৌদি আরবের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান ও চলমান অবরোধের প্রতিশোধ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।
স্থানীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (২৫ জুলাই) ভোরে ইয়েমেনে তৈরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র খামিস মুশাইত শহরের কাছে অবস্থিত কিং খালিদ বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা হয়। রাজধানী রিয়াদ থেকে শহরটির দূরত্ব প্রায় ৮৮৪ কিলোমিটার।
এর কিছুক্ষণ পর হুথিরা সৌদি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর জিজান অঞ্চলের একটি তেল স্থাপনায় একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলারও দাবি করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার পর জিজানের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়। একই সময়ে বন্দরনগরী ইয়ানবুতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
হুথিদের দাবি, হামলার আগে সৌদি বাহিনী পশ্চিম ইয়েমেনের আল-হুদাইদা ও কামরান দ্বীপে একাধিক বিমান হামলা চালায়। তাদের আরও দাবি, ইয়েমেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সৌদি যুদ্ধবিমানগুলোকে আকাশসীমা ত্যাগ করতে বাধ্য করেছে।
এ ঘটনার পর ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে সৌদি আরবকে সামরিক অভিযানের পরিণতির দায় বহনের হুঁশিয়ারি দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ইয়েমেনের ওপর দীর্ঘদিনের অবরোধ প্রত্যাহারের পরিবর্তে সামরিক আগ্রাসনের পথ বেছে নেওয়ায় সংঘাত আরও তীব্র হবে।
আনসার আল্লাহর রাজনৈতিক ব্যুরোর জ্যেষ্ঠ সদস্য হাজেম আল-আসাদও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রতিটি সামরিক পদক্ষেপের জবাব আরও কঠোরভাবে দেওয়া হবে।
তবে হামলার বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। হামলায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্যও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।