নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (ইউএনজিএ) সাইডলাইনে বুধবার মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এ চুক্তি সম্পন্ন হলে বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের পরিকল্পিত উড়োজাহাজ সংগ্রহের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ২৫টিতে।

বিমানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, নিউইয়র্ক সময় বুধবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।

চুক্তিতে বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী আক্তার হোসাইন স্বাক্ষর করবেন। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করতে পারেন।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর বোয়িংয়ের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ড. ব্রেন্ডন নেলসন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সঙ্গে ৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি করে বিমান। ওই চুক্তির আওতায় রয়েছে আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ—মোট ১৪টি।

নতুন ১১টি উড়োজাহাজের মডেল, মূল্য, অর্থায়ন কাঠামো এবং সরবরাহের সময়সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে বোয়িংয়ের পাশাপাশি ইউরোপীয় নির্মাতা এয়ারবাসের কাছ থেকেও ১০টি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাব বিবেচনা করছে বিমান। এর মধ্যে চারটি এ৩৫০-৯০০ ওয়াইডবডি এবং ছয়টি এ৩২১নিও ন্যারোবডি উড়োজাহাজ রয়েছে।

দুই প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে আগামী কয়েক বছরে বিমানের সম্ভাব্য নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৩৫টি—২৫টি বোয়িং ও ১০টি এয়ারবাস। বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে রয়েছে ১৯টি উড়োজাহাজ।

গত এপ্রিলে বোয়িংয়ের সঙ্গে করা ১৪টি উড়োজাহাজের চুক্তিটি বিমানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় উড়োজাহাজ ক্রয়চুক্তি। ওই চুক্তির উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।