https://timenewsbangla.com

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তার কাছে ফলাফল হস্তান্তর করেন।
গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটিই কমেছে। ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।
এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৬৮.০৪ শতাংশ। অর্থাৎ সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাসের হার কমেছে ৩.৯৯ শতাংশ।
ঢাকা বোর্ডে এবার সর্বোচ্চ ৭১.৬৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে যশোরে পাসের হার ৬৬.২৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫.৪২ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩.৬৭ শতাংশ, বরিশালে ৬০.৩৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯.৪৮ শতাংশ, সিলেটে ৫৮.৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮.০৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭.৩৯ শতাংশ।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮.২০ শতাংশ।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।
পরীক্ষার্থীরা অনলাইন, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে ফল জানতে পারবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ছাড়াও eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd থেকে ফল দেখা যাবে।
এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে মেসেজ অপশনে ‘SSC’ লিখে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর এবং পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত করা যাবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে। পরীক্ষা শেষের প্রায় তিন মাস পর ফল প্রকাশ করা হলো।