https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
টানা কয়েক দিনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় দেশের শেয়ারবাজার দুই বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) লেনদেনের শেষেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে প্রায় দুই বছরের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ।
মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৯৯টির দাম বেড়েছে, ১৩৭টির কমেছে এবং ৫৭টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯১১ পয়েন্টে উঠে এসেছে।
এটি ২০২৪ সালের ২১ মার্চের পর সূচকটির সর্বোচ্চ অবস্থান। ওই দিন ডিএসইএক্স ৫ হাজার ৯৪২ পয়েন্টে ছিল। ফলে প্রায় দুই বছর চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে দেশের প্রধান শেয়ারসূচক।
ডিএসইর অন্য দুটি সূচকও ঊর্ধ্বমুখী ছিল। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২০৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর নির্বাচিত ৩০টি বড় কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত ডিএস-৩০ সূচক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ২২৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।
সূচকের পাশাপাশি লেনদেনেও ছিল উল্লেখযোগ্য গতি। মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট ১ হাজার ৬৫১ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ২৩২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। সোমবার লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৪১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকার।
এর আগে গত রোববার ডিএসইতে ১ হাজার ৬৬৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল, যা ২০২৪ সালের ১১ আগস্টের পর সর্বোচ্চ ছিল। ওই দিন বাজারে ২ হাজার ১০ কোটি ৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) মঙ্গলবার ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। সেখানে মোট ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৩৭টির দাম বেড়েছে, ৮৯টির কমেছে এবং ২৬টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।