ঢাকা
০৪ জুন ২০২৬
শিরোনাম
কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, আহত ৪ বাংলাদেশি প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ডিএনডি বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত ক্ষমতা গ্রহণের তিন মাসেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : মির্জা ফখরুল বরগুনা জেলা পরিষদ ডাকবাংলো থেকে মা ও দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধার সব শ্রেণির মানুষের কথা বিবেচনায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে : অর্থমন্ত্রী হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৬০০ ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর মায়ের প্রতি অবহেলার অভিযোগে যুগ্ম সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ল নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

ইরানে ক্ষমতার কেন্দ্রে উঠে আসছেন যিনি

ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬   ১৯ বার পঠিত
ইরানে ক্ষমতার কেন্দ্রে উঠে আসছেন যিনি

পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে ‘চীন বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর ইরানের ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি কূটনৈতিক পদায়ন নয়; বরং ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত।

এই পদটি আগে সামলাতেন , যিনি ইরান-চীন ২৫ বছরের কৌশলগত চুক্তির অন্যতম স্থপতি ছিলেন। তার মৃত্যুর পর গালিবাফকে একই দায়িত্ব দেওয়াকে তেহরানের ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষ করে, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক এখন ইরানের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে—কারণ পশ্চিমাদের সঙ্গে সম্পর্ক ক্রমেই জটিল হচ্ছে এবং নিষেধাজ্ঞার চাপও বাড়ছে।

গালিবাফ শুধু একজন রাজনীতিক নন; তিনি আগে -এর সদস্য ছিলেন এবং দীর্ঘদিন -এর মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে সামরিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক—তিন ক্ষেত্রেই তার শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে।

২০২৫ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সময় তিনি পার্লামেন্ট সচল রাখা, বিভিন্ন ক্ষমতাকেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয় করা এবং নিরাপত্তা কাঠামোকে রাজনৈতিকভাবে কার্যকর রাখার মাধ্যমে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের আস্থা অর্জন করেন।

পশ্চিমা বিশ্লেষকেরা সাধারণত ইরানের প্রেসিডেন্ট বা সর্বোচ্চ নেতাকে কেন্দ্র করে আলোচনা করলেও বাস্তবে পার্লামেন্ট স্পিকার পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই পদ থেকেই বিভিন্ন প্রাদেশিক নেটওয়ার্ক, নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় করা হয়।

ইতিহাস বলছে, ইরানের অনেক প্রভাবশালী নেতা স্পিকারের পদ থেকেই জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় গালিবাফও এখন ক্রমে “সমন্বয়ক” বা ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষাকারী মুখে পরিণত হচ্ছেন।

এখন ইরানের অন্যতম প্রধান কৌশলগত অংশীদার। সাম্প্রতিক সংঘাতে বেইজিং জাতিসংঘে ইরানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে মিলে শান্তি পরিকল্পনাও সমর্থন করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমাদের সঙ্গে দরজা সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় তেহরান এখন পূর্বমুখী কৌশলকে আরও শক্তিশালী করছে। আর সেই নীতির বাস্তবায়নের দায়িত্ব এমন একজনের হাতে দেওয়া হয়েছে, যিনি নিরাপত্তা, কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতি—সব ক্ষেত্রেই কার্যকর।

গালিবাফের উত্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরানে শুধু আনুষ্ঠানিক পদ নয়, বরং কে বিভিন্ন শক্তিকেন্দ্রকে একত্রে ধরে রাখতে পারছে সেটিই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দুই প্রভাবশালী নেতার অনুপস্থিতি এবং নেতৃত্বের অনিশ্চয়তার মধ্যে গালিবাফ ধীরে ধীরে এমন এক ব্যক্তিত্বে পরিণত হচ্ছেন, যাকে ঘিরেই ইসলামিক রিপাবলিকের নতুন ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হতে পারে।

June 2026
S M T W T F S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930