https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের পর সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে রোববার (২৬ জুলাই) বঙ্গভবন ছাড়বেন মো. সাহাবুদ্দিন। বিদায়ী রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী গার্ড অব অনারসহ সম্মানজনক বিদায় জানানো হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা রক্ষায় বিদায়ী রাষ্ট্রপতির জন্য নির্ধারিত সব প্রটোকল অনুসরণ করবে সরকার। বঙ্গভবন ত্যাগের আগে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে এবং বিদায় অনুষ্ঠানে গার্ড অব অনারের আয়োজন থাকবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৫টা ১ মিনিটে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী এরপর থেকেই স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
রাষ্ট্রপতির পরিবারের একটি সূত্র জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে রোববার রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে উঠবেন মো. সাহাবুদ্দিন।
প্রটোকল অনুযায়ী দায়িত্ব শেষ হলেও সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি আরও ছয় মাস স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) নিরাপত্তা সুবিধা পাবেন। এই সময় তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে এসএসএফ।
সরকারি সূত্রের ভাষ্য, দায়িত্ব হস্তান্তর, বিদায় সংবর্ধনা, গার্ড অব অনার ও নিরাপত্তাসহ সব কার্যক্রম রাষ্ট্রীয় বিধি ও প্রচলিত প্রটোকল অনুসারেই সম্পন্ন হবে।
প্রতিক্রিয়ায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিদায়ী রাষ্ট্রপতির মঙ্গল কামনা করে বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক বিতর্ক থাকলেও বর্তমান সরকারের প্রতি তিনি সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব দেখিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও বলেন, রাষ্ট্রপতির পদকে সরকার একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে। তার ভাষ্য, দায়িত্ব পালনের সময় মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রীয় সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহযোগিতা করেছেন।
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। যদিও তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন তার পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিল। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের মধ্য দিয়ে তার রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের সমাপ্তি ঘটে।