https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
কলেরা প্রতিরোধে বিনামূল্যে মুখে খাওয়ার টিকা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করছেন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সাধারণ মানুষ। রাজধানীসহ দেশের ১৪টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা ও থানায় চলছে ‘প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন-২০২৬’।
রাজধানীর বিভিন্ন টিকাকেন্দ্রে অভিভাবকদের সন্তানদের নিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে টিকা নিতে দেখা গেছে। অনেকেই জানিয়েছেন, শিশুদের বারবার পেটের সমস্যায় ভুগতে হওয়ায় কলেরা টিকা তাদের বাড়তি স্বস্তি দিয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কর্মসূচির আওতায় উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে দুই ডোজে বিনামূল্যে ইউরিকল প্লাস টিকা দেওয়া হচ্ছে। গর্ভবতী নারী ছাড়া এক বছর বা তার বেশি বয়সী সবাই এ টিকা নিতে পারবেন।
প্রথম ডোজ দেওয়া হচ্ছে ২২ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর। ঢাকার চারটি সিটি করপোরেশন এলাকা, মুন্সিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন উপজেলা ও থানায় এ কার্যক্রম চলছে।
শুধু ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচরের ১৭টি ওয়ার্ডে ১৯২টি কেন্দ্রে প্রায় ১১ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
আইসিডিডিআর,বি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহযোগিতায় কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথম ধাপে ১৪টি এলাকায় টিকাদান চলছে। পরবর্তী ধাপে উচ্চঝুঁকিতে থাকা আরও ১৪৪টি উপজেলায় কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশিদ জানান, দুই ডোজের এই টিকা প্রায় তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ২৯ লাখ মানুষ কলেরায় আক্রান্ত হন এবং প্রায় ৯৫ হাজারের মৃত্যু হয়। দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোতে এ রোগের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। বাসস