https://timenewsbangla.com

কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তিমুর তাকাচেঙ্কো জানান, এখন পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হয়েছে। তবে উদ্ধার অভিযান ও তদন্ত চলায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। নিহতদের মধ্যে দিমিত্রিভস্কা গ্রামের মেয়র তারাস দিদিচও রয়েছেন।
ইউক্রেনের প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, ওই গুদামে বিস্ফোরকজাতীয় সামগ্রী সংরক্ষণ করা হয়ে থাকতে পারে। এ কারণে হামলার পাশাপাশি সেখানে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সামগ্রী সংরক্ষণের বৈধতা নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে।
প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় জানায়, শুক্রবার রাত প্রায় ৮টা ১০ মিনিটে কিয়েভের পশ্চিমে মিলা শহরের একটি প্রতিষ্ঠানের এলাকায় একটি ড্রোন আঘাত হানে বা বিধ্বস্ত হয়। এরপর সেখানে ব্যাপক আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার পর রাজধানীর পশ্চিম আকাশে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী দেখা যায়। শনিবারও ঘটনাস্থলে আগুন জ্বলছিল।
গুদামে কী ধরনের সামগ্রী রাখা ছিল, তা এখনো বিস্তারিত জানায়নি কর্তৃপক্ষ। তবে বিস্ফোরক সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও সরকারি ছাড়পত্র ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী সের্হি কোরেতস্কি অভিযোগ করেছেন, এর আগেও একই ধরনের ঘটনায় অব্যবস্থাপনা ধরা পড়ার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট শিক্ষা নেয়নি। তিনি ঘটনাটিকে গুরুতর অবহেলা হিসেবে উল্লেখ করে দায়ীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের ভূখণ্ডে দূরপাল্লার হামলা বাড়িয়েছে। এসব হামলায় সামরিক ও বিভিন্ন অবকাঠামোর পাশাপাশি বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনাও ঘটছে।