ঢাকা
২৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
আইসিজের মামলার রায় অক্টোবরে ঘোষণা হতে পারে আইএমএফের পূর্বাভাস, ২০৩০ সালে বিশ্বের ৩২তম বৃহৎ অর্থনীতি হবে বাংলাদেশ বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা নিয়ে যা বলল ভারত দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস, আগামী দুই দিন বাড়তে পারে ভারী বর্ষণ নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট হ্রদে পানি উপচে নতুন আতঙ্ক নেপালে বন্যা-ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৫৪৭, নিখোঁজ ৫১৭ বিদেশি চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যার পানিতে গোসলে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন পুতিনের হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৮০ ইরান যুদ্ধে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রের

আইসিজের মামলার রায় অক্টোবরে ঘোষণা হতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬   ০ বার পঠিত
আইসিজের মামলার রায় অক্টোবরে ঘোষণা হতে পারে

ছবি: -সংগৃহীত

রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) চলমান মামলার রায় আগামী অক্টোবর মাসে ঘোষণা হতে পারে। মামলার অগ্রগতি ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে গাম্বিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ২৩তম ওআইসি জরুরি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদ সম্মেলনের সাইডলাইনে গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচারমন্ত্রী দাউদা এ জালোর সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

বৈঠকে দাউদা এ জালো জানান, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে আইসিজেতে দায়ের করা মামলার রায় ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।

গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার জন্য দায় নির্ধারণে আইসিজের রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রেও এ রায়ের বড় প্রভাব থাকতে পারে।

রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আইসিজেতে মামলা পরিচালনায় গাম্বিয়ার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা এবং এর একটি ব্যাপক ও টেকসই সমাধানে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা প্রয়োজন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালনের সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে রোহিঙ্গা ইস্যুকে বৈশ্বিক এজেন্ডায় সক্রিয় রাখা এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে দুই দেশের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ হবে।