ঢাকা
৩০ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম

লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬   ১৭ বার পঠিত
লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার

ছবি: -সংগৃহীত

লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তাকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একইসঙ্গে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সদর দপ্তর আয়োজিত ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সম্মেলনে বক্তব্য শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, ভারী অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তাকারীকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। পিস্তল, রিভলবার ও শটগান উদ্ধারে তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা এবং সাউন্ড গ্রেনেড, লুণ্ঠিত টিয়ারগ্যাস শেলসহ অন্যান্য লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের ক্ষেত্রবিশেষে ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

তথ্যদাতাদের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ ইউনিট গঠন করে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাতিল করা অস্ত্রের লাইসেন্স জমা না দেওয়া হলে সেগুলোকে অবৈধ অস্ত্র হিসেবে গণ্য করে মামলা করা হয়েছে এবং সেগুলো উদ্ধারে অভিযান চলছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বন্ধে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তায় বিশেষ কৌশলগত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব করতে নিয়মিত কৌশলগত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম।

এ সময় পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) একেএম আওলাদ হোসেনসহ বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি, মহানগর পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এবং জেলার পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে মন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।