https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকায় সরকারি হাসপাতালে শয্যা বা প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসুবিধা না থাকলে রোগীদের নির্ধারিত বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসার ব্যয় সরকার বহন করবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে জরুরি মতবিনিময় সভা শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালকে নিয়ে একটি পাইলট উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কোনো সরকারি হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসার জন্য শয্যা বা প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার সংকট দেখা দিলে রোগীদের নির্ধারিত কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হবে। সেখানে চিকিৎসার পুরো ব্যয় সরকার বহন করবে।
তিনি জানান, সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্য স্যালাইন ও রোগ শনাক্তের পরীক্ষার কিট পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহও নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি এমন এলাকাগুলোতে উপজেলা পর্যায়েও চিকিৎসাব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, ঝুঁকিপূর্ণ বা ‘রেড মার্কিং’ করা উপজেলাগুলোতে প্রয়োজন হলে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য শয্যাসংখ্যা বাড়ানো হবে। কোনো উপজেলায় পাঁচটি শয্যা থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী তা ১০টিতেও উন্নীত করা হতে পারে।
মীর শাহে আলম বলেন, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে ডেঙ্গুরোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে। সিলেট ও রংপুরে রোগীর সংখ্যা খুবই কম। রাজশাহীতেও তুলনামূলকভাবে আক্রান্ত কম। এসব এলাকার মধ্যে পিরোজপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি।
বরিশাল অঞ্চলে ডেঙ্গু বাড়ার একটি কারণ হিসেবে সুপারি ও ডাব গাছ কাটার পর গোড়ায় জমে থাকা পানির কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। এসব স্থানে এডিস মশার লার্ভা জন্মাতে পারে বলে জানান তিনি।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বাসাবাড়ি, ছাদ ও বারান্দায় পানি জমতে না দেওয়ার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ফুলের টবসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী।