https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
সরকারি নথি ও দাপ্তরিক যোগাযোগে প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিজের দপ্তর থেকেই কার্যকর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো নিজেও ডিজিটাল হাজিরা দিচ্ছেন তিনি।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে প্রবেশের আগে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল হাজিরা দেন। অফিস শেষে বের হওয়ার সময়ও নির্ধারিত পদ্ধতিতে হাজিরা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপিত ফাইল ও সরকারি নথিতে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ না লিখে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ও পরিপত্রটি সব মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রপতির আগে ‘মহামান্য’ এবং প্রধানমন্ত্রীর আগে ‘মাননীয়’ শব্দ পরিহারের সিদ্ধান্তটি যুগোপযোগী ও ঐতিহাসিক। এর বাস্তবায়ন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, সরকারি পত্রালাপ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিতে নির্দেশনাটি অনুসরণের জন্য প্রশাসনের সর্বস্তরে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি প্রচারণায় নিজের ছবি ব্যবহার না করা, প্রটোকলে গাড়ির সংখ্যা কমানো, চলাচলের সময় সাধারণ মানুষের জন্য ট্রাফিক সিগন্যাল বন্ধ না রাখা এবং রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়া পতাকাবাহী গাড়ি ব্যবহার না করার মতো পদক্ষেপও নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।