মার্কিন বিমানবাহী রণতরী লক্ষ্য করার সক্ষমতাসম্পন্ন একটি নতুন অস্ত্র সফলভাবে পরীক্ষা করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তবে অস্ত্রটির ধরন, পাল্লা কিংবা আঘাত হানার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি তেহরান।

আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেন মোহেব্বি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরান সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত নতুন অস্ত্র তৈরি ও পরীক্ষা করছে। দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলাই এসব উদ্যোগের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

মোহেব্বির দাবি, মার্কিন বিমানবাহী রণতরীকে লক্ষ্য করে চালানো একটি পরীক্ষায় সফলতা এসেছে। তবে পরীক্ষার ফলাফল বা অস্ত্রটির সক্ষমতার বিষয়ে স্বাধীন কোনো তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এ দাবি সামনে এলো। এর আগে সেপ্টেম্বরের শুরুতে আইআরজিসি দাবি করেছিল, তারা একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও একটি ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছিল, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজে আঘাত করেনি এবং এতে কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি।

ইরানি কর্মকর্তারা এর পরও দূরপাল্লায় মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ লক্ষ্য করার সক্ষমতা অর্জনের দাবি করে আসছেন। আইআরজিসির পক্ষ থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দূর থেকে একটি বিমানবাহী রণতরীতে আঘাত হানার দাবিও করা হয়েছিল। তবে সেই দাবিরও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মোহেব্বি সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো সামরিক অভিযান হলে দেশটি আরও উন্নত অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে। তাঁর দাবি, প্রকাশ্যে আসা অস্ত্রের বাইরেও ইরানের হাতে আরও কিছু নতুন সামরিক সক্ষমতা রয়েছে।

তবে নতুন অস্ত্রটির প্রকৃত সক্ষমতা ও পরীক্ষার সাফল্য সম্পর্কে এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য পাওয়া যায়নি।