সিলেট থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী ট্রেনের টিকিট বিক্রিতে অনিয়ম ও কালোবাজারির অভিযোগে আদালত স্বউদ্যোগে মামলা করেছেন।

সিলেটের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল নোমান বিষয়টি আমলে নিয়ে মিসকেস মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআই সিলেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, সিলেট থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী উপবন, কালনী, জয়ন্তিকা, পারাবত, উদয়ন ও পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের টিকিট নিয়ে সম্প্রতি যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, অনলাইনে নির্দিষ্ট দিনের টিকিট বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রায় সব টিকিট শেষ হয়ে যায়। এতে সাধারণ যাত্রীরা টিকিট না পেলেও পরে বেশি দামে টিকিট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

বিষয়টি আদালতের নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট অনলাইন টিকিট বিক্রির ওয়েবসাইট পরিদর্শন করা হয়। সেখানে টিকিট উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিপুলসংখ্যক টিকিট বিক্রি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আদালতের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়।

আদালতের ধারণা, টিকিট বিক্রির সঙ্গে জড়িত কারও সহায়তায় কোনো চক্র দ্রুত বিপুলসংখ্যক টিকিট সংগ্রহ করে পরে সেগুলো বেশি দামে বিক্রি করছে কি না, তা তদন্ত করা প্রয়োজন।

মামলা সূত্রে আরও বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সাধারণ যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং পর্যটনশিল্পের বিকাশও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কালোবাজারি ও মজুদদারির মতো অপরাধ হয়ে থাকতে পারে বলে আদালত মনে করেন।

এ ঘটনায় স্বউদ্যোগে মিসকেস মামলা নম্বর ০১/২০২৬ দায়ের করা হয়েছে। পিবিআই সিলেটের পরিদর্শক মোহাম্মদ মোরসালিন জানান, আদালতের দায়ের করা মামলাটি পিবিআই সিলেটের উপপরিদর্শক আব্দুল আহাদ তদন্ত করবেন।