https://timenewsbangla.com

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
টানা পতনের মুখে থাকা রুপির মান স্থিতিশীল রাখতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষায় সোনা ও রুপার আমদানি শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে ভারত সরকার। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতের প্রভাবে ভারতীয় রুপির মান দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল হচ্ছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও চাপ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সোনা ও রুপার আমদানি কমিয়ে ডলারের ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনতে শুল্ক বাড়ানোর পথ বেছে নিয়েছে নয়াদিল্লি।
সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সোনা ও রুপার আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থাৎ আগের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে এই শুল্ক।
ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সোনা আমদানিকারক দেশ। দেশটিতে বিয়ে, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও বিনিয়োগে সোনার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। তবে সোনা আমদানির জন্য বিপুল পরিমাণ ডলার ব্যয় হওয়ায় তা রুপির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।
অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় তেলের দাম বেড়েছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে এর প্রভাব সরাসরি পড়ছে ভারতের আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে।
এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে সাময়িকভাবে সোনা কেনা কমানো এবং জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।