সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আপত্তিকর ভিডিও, ছবি ও ভুয়া তথ্যের মাধ্যমে নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তুলে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া এসব কনটেন্ট সরিয়ে ফেলা এবং নিজের ব্যক্তিসত্তার অধিকার সুরক্ষায় আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ বিষয়ে মামলা করেন কঙ্গনা। শুনানিতে তাঁর আইনজীবী অভিনেত্রীকে ঘিরে প্রচারিত যৌন হেনস্থামূলক ভিডিও, আপত্তিকর পোস্ট, ভুয়া খবর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট নিয়ে আপত্তি জানান।

কঙ্গনার অভিযোগ, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তাঁর পরিচয় ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব কনটেন্ট তাঁর সম্মানহানি করছে এবং ব্যক্তিসত্তার অধিকার লঙ্ঘন করছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে অনলাইনে প্রচারিত আপত্তিকর ও বিভ্রান্তিকর উপাদান সরিয়ে ফেলার পাশাপাশি নিজের পরিচয় ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি সুরক্ষায় আইনি প্রতিকার চেয়েছেন অভিনেত্রী।

তবে অনলাইনে পরিচয় ও ব্যক্তিসত্তার অপব্যবহারের অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা কঙ্গনার ক্ষেত্রে প্রথম নয়। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক তারকা তাঁদের ছবি, পরিচয় ও ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, সালমান খান এবং অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ও অভিনেতা পবন কল্যাণ।

কাজের ক্ষেত্রে কঙ্গনাকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ সিনেমায়। জুন মাসে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি সমালোচকদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছিল।

ডিজিটাল মাধ্যমে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিচয় ও ছবি বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরির অভিযোগও সামনে আসছে। কঙ্গনার এই মামলা অনলাইনে ব্যক্তিসত্তার অধিকার ও সুনাম রক্ষার বিষয়টি আবারও আলোচনায় এনেছে।