স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভোরে সূর্যের দেখা মিললেও দিনের বেশির ভাগ সময় থাকে রোদের তীব্রতা। তবে সূর্য ডোবার পর থেকেই বাড়তে থাকে ঠান্ডার অনুভূতি। রাত যত গভীর হয়, ততই বাড়ে শীতের আমেজ। ভোরে বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায় কুয়াশার চাদর।
দিনের বেলায় গরম আর রাতে ঠান্ডা—আবহাওয়ার এই বৈপরীত্যে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়ও পড়ছে প্রভাব। বিশেষ করে রাত ও ভোরে বাইরে বের হলে অনুভূত হচ্ছে শীতের শীতল পরশ।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, জেলায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমছে। পাশাপাশি রাত ও ভোরে কুয়াশার প্রবণতাও বাড়ছে। দিনের তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকায় দিনে গরম অনুভূত হলেও রাতে ও ভোরে ঠান্ডা বাড়ছে।
তিনি আরও জানান, আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ফলে পঞ্চগড়ে শীতের অনুভূতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অক্টোবরের শেষেই পঞ্চগড়ে শীতের উপস্থিতি স্পষ্ট হচ্ছে। দিনের রোদে গরম, আর সন্ধ্যা নামলেই হিমেল হাওয়া—এভাবেই শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে উত্তরের এই জনপদ।

মন্তব্য করুন