সোমবার (২ নভেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক লিখিত আবেদনে এ দাবি জানায় সংগঠনটি। সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান টিপু আবেদনটিতে স্বাক্ষর করেন।
আবেদনে বলা হয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের উদ্যোগকে ব্যবসায়ীরা সমর্থন করেন। তবে রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ক্রেতা সংকট ও বিক্রি কমে যাওয়ায় বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আর্থিক চাপে পড়েছেন। কেউ কেউ ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
সংগঠনটি জানায়, রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্ক, নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, গুলিস্তান, চকবাজার, ইসলামপুর, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মার্কেট ও বিপণিবিতানে ব্যবসায়িক মন্দা দেখা দিয়েছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় আড়াই কোটি মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবিকা জড়িত। ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি কর্মচারী ও তাদের পরিবারও আর্থিক সংকটে পড়বে। এর প্রভাব জাতীয় অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।
ব্যবসায়ীদের মতে, শীতের মৌসুমে সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত কেনাকাটার জন্য অনেক ক্রেতা মার্কেটে আসেন। রাত ৮টায় দোকান বন্ধ করতে হওয়ায় ব্যবসায়ীরা বিক্রির গুরুত্বপূর্ণ সময় হারাচ্ছেন।
তাদের দাবি, রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হলে ক্রেতারা বাড়তি সময় পাবেন এবং ব্যবসায়ীদের বিক্রি বাড়বে। এতে কর্মসংস্থান ধরে রাখা ও ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসার বিনিয়োগ সুরক্ষায় সহায়তা মিলবে।
আবেদনের শেষাংশে ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখা, কর্মসংস্থান রক্ষা ও জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থ বিবেচনায় রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি দিয়ে প্রয়োজনীয় সরকারি নির্দেশনা জারির অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন