https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি সিএভি (রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ) রেখেছেন ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। ফলে মামলার রায় যেকোনও দিন ঘোষণা করা হতে পারে।
ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে যুক্তি উপস্থাপন করেন মিজানুল ইসলাম। তাকে সহায়তা করেন ফারুক আহাম্মদ।
রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, আসামিদের বক্তব্য, নির্দেশনা ও সাংগঠনিক ভূমিকার ধারাবাহিকতায় কুষ্টিয়ায় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে যুক্তি দেয় যে, ঘটনাগুলো ছিল পরিকল্পিত ও সমন্বিত হামলার অংশ।
অন্যদিকে পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা অভিযোগের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে খালাস প্রার্থনা করেন।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তার জেরা সম্পন্ন হয়। মামলায় মোট ১৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।
মাহবুবউল আলম হানিফ ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। তারা সবাই বর্তমানে পলাতক।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৫ অক্টোবর প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। পরদিন অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। পরে ২ নভেম্বর চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র এবং কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এখন ট্রাইব্যুনালের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে মামলাটি।