https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
লামিন ইয়ামাল, দানি ওলমো, ফেরান তোরেস—নামগুলোই যথেষ্ট ছিল কেপ ভার্দের জন্য কঠিন এক রাতের আশঙ্কা তৈরি করতে। কিন্তু বাস্তবে গোলবারের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক হোসিমার দিয়াস ভোজিনহা।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী স্পেনকে রুখে দেয় কেপ ভার্দে, ম্যাচ শেষ হয় ০–০ গোলে। স্পেনের ২৭টি শটের মধ্যে ৭টি ছিল লক্ষ্যভেদী, কিন্তু একের পর এক অসাধারণ সেভে সবকিছু ফিরিয়ে দেন ভোজিনহা।
৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের জীবনকথা যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি পেশাদার ফুটবলেই ছিলেন না। জীবনের বড় সময় কেটেছে দাদা-দাদীর কাছে, কারণ বাবা সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং মা গৃহকর্মে ব্যস্ত ছিলেন।
আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় তিনি শুরু করেন পেশাদার ক্যারিয়ার। পরবর্তীতে পর্তুগালের দ্বিতীয় স্তরের ক্লাবে খেলে ধীরে ধীরে উঠে আসেন আন্তর্জাতিক মঞ্চে।
বিশ্বকাপে এই ম্যাচই ছিল তার অভিষেক, আর তাতেই গড়ে ফেললেন ইতিহাস। বয়স ৪০ হওয়া সত্ত্বেও অসাধারণ পারফরম্যান্সে স্পেনের তারকা আক্রমণভাগকে বারবার হতাশ করেন তিনি।
ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ভোজিনহা। চোখের পানি যেন বলে দিল—এই রাত শুধু একটি ম্যাচ নয়, তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।