https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত নাম লিওনেল মেসি। রেকর্ড ব্যালন ডি’অর, অসংখ্য ক্লাব শিরোপা আর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পরও যে প্রশ্নটি বারবার ফিরে আসত, সেটি ছিল—বিশ্বকাপ কি জিতেছেন?
২০১৪ সালের হৃদয়ভাঙা ফাইনাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে লুসাইল স্টেডিয়ামে সেই প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর দেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। ধরা দেয় বিশ্বকাপ ট্রফি।
২০২৬ বিশ্বকাপে তাই মেসির ভূমিকা একেবারেই ভিন্ন। এবার তিনি আর কোনো অসমাপ্ত লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছেন না। ৩৮ বছর বয়সী এই তারকা খেলছেন সম্পূর্ণ নতুন মানসিকতায়—জয়ের তাড়ায় নয়, বরং খেলার আনন্দে।
নিজেই বলেছেন, তিনি এখন প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছেন, আগের মতো চাপের ভার আর অনুভব করেন না। কাতার বিশ্বকাপের পর জাতীয় দল ও ক্লাব—দুই জায়গাতেই তার মানসিকতায় এসেছে বড় পরিবর্তন। ইন্টার মায়ামির হয়ে ২০২৫ মৌসুমে ২৯ গোল ও ১৯ অ্যাসিস্ট, সঙ্গে দলকে এমএলএস কাপ এনে দেওয়াও তার বর্তমান ফর্মের প্রমাণ।
আর্জেন্টিনা দলও এখন আর এক ব্যক্তিনির্ভর নয়। লিওনেল স্কালোনির অধীনে দলটি এমন একটি কাঠামো গড়ে তুলেছে, যেখানে মেসি গুরুত্বপূর্ণ হলেও একক ভরসা নন। বরং দলীয় শক্তিই এখন আর্জেন্টিনার মূল ভিত্তি, আর মেসি সেই কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
২০২৬ বিশ্বকাপ তাই শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং মেসির জন্য এক নতুন বাস্তবতা। যেখানে তিনি আর নিজের প্রমাণের লড়াইয়ে নেই, বরং ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ফুটবল উপভোগ করছেন নিঃশব্দে, স্বস্তিতে।