https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
প্রথমবারের মতো নিজস্ব প্রযুক্তিতে সাবমেরিন নির্মাণ করছে মিয়ানমার—এমন তথ্য উঠে এসেছে একটি আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষণভিত্তিক প্রতিবেদনে। প্রায় ৪০ মিটার দীর্ঘ এই ডুবোজাহাজটির নকশা উত্তর কোরিয়ার “স্যাং-ও” শ্রেণির সাবমেরিনের সঙ্গে মিল রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে সামরিক পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, সাবমেরিনটি নির্মাণ প্রক্রিয়ায় মিয়ানমার এবং উত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা থাকতে পারে। দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া অতীতে বিভিন্ন দেশে সাবমেরিন ও সামরিক প্রযুক্তি রপ্তানি করেছে এবং মিয়ানমারের সঙ্গেও তাদের সামরিক সহযোগিতা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ছোট আকারের ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন সাধারণত উপকূলীয় প্রতিরক্ষা, নজরদারি, বিশেষ বাহিনী মোতায়েন এবং টর্পেডো বা মাইন হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়। এসব সাবমেরিন বড় নৌবাহিনীর তুলনায় আকারে ছোট হলেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে এসব সাবমেরিনে ক্রুজ মিসাইল যুক্ত করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
উত্তর কোরিয়ার সাবমেরিন প্রযুক্তি মূলত পুরনো সোভিয়েত নকশা থেকে উন্নত হয়ে এখন আধুনিক রূপ নিয়েছে বলে দাবি করা হয়। দেশটি ভবিষ্যতে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন উন্নয়নের দিকেও অগ্রসর হচ্ছে বলেও উল্লেখ রয়েছে।
মিয়ানমার নৌবাহিনীতে আগে থেকেই চীনা সাবমেরিন রয়েছে বলে জানা যায়, আর নতুন এই প্রকল্পটি তাদের সামরিক সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।