https://timenewsbangla.com

ময়মনসিংহে দুর্গন্ধের উৎস অনুসন্ধান করতে গিয়ে নিখোঁজ এক যুবকের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রথমে বিচ্ছিন্ন মাথা এবং পরে মাটি খুঁড়ে মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সোহেল মিয়া (২৬) ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পরানগঞ্জ ইউনিয়নের মীরকান্দাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয়ভাবে গাছ কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। স্বজনদের দাবি, গত ১৬ জুলাই রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার সকালে এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
বুধবার বিকেলে সোহেলের বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে অম্বিকাগঞ্জ কলেজ মাঠে তীব্র দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা মানুষের একটি বিচ্ছিন্ন মাথা দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে পরিবারের সদস্যরা মাথাটি সোহেলের বলে শনাক্ত করেন।
পুলিশ প্রথমে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করে। এরপর ঘটনাস্থলে খননকাজ চালিয়ে রাতের দিকে কয়েক ফুট গভীর থেকে মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধের জেরে সোহেলের ভগ্নিপতি সেলিম মিয়া কাজের কথা বলে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের দাবি, ঘটনার পর সেলিম এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে শনাক্তের জন্য পিবিআইকে ডাকা হয়েছে। পাশাপাশি ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হবে। তিনি জানান, নিখোঁজ ভগ্নিপতিসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্ত করে হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।