https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে বড় দুঃসংবাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। চোটের কারণে টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। অথচ পরিসংখ্যান বলছে, গত দেড় বছরে টেস্ট ক্রিকেটে গতির দিক থেকে অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার মিচেল স্টার্ককেও ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। ফলে তার অনুপস্থিতিকে বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
ক্রিকভিজের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চে টেস্ট অভিষেকের পর থেকে বিশ্বের দ্রুততম টেস্ট বোলার নাহিদ রানা। এ সময় তার গড় বোলিং গতি ঘণ্টায় ১৪১.৫৪ কিলোমিটার। একই সময়ে ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গড় গতি ধরে রাখতে পেরেছেন কেবল অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক, যার গড় গতি ১৪১.০৪ কিলোমিটার। অর্থাৎ গড় গতির হিসাবে স্টার্ককেও পেছনে ফেলেছেন বাংলাদেশের এই তরুণ পেসার।
শুধু গতিতেই নয়, পারফরম্যান্সেও দারুণ ছন্দে আছেন নাহিদ। চলতি বছরে তিন সংস্করণ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ৪৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ১৮.৩১ গড়ে নেওয়া এই উইকেটগুলো তাকে বাংলাদেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য পেসারে পরিণত করেছে।
গত মাসে ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজেও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন নাহিদ। প্রথম ম্যাচে ৪১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান তিনি। তার শিকারের তালিকায় ছিলেন উইকেটকিপার-ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারিও।
সাবেক অস্ট্রেলিয়ান গতিতারকা শন টেইটের তত্ত্বাবধানে নিজেকে আরও শাণিত করেছেন নাহিদ। তাই অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সি উইকেটে তার গতি ও বাউন্স স্বাগতিকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারত বলেই মনে করা হচ্ছিল।
বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়েছে আরেক পেসার শরিফুল ইসলামের চোট। তবে দুই পেসারকে না পেলেও বাংলাদেশকে হালকাভাবে নিতে রাজি নন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড।
তার ভাষায়, ওদের এই দুজনের বাইরে আরও ভালো বিকল্প আছে। বাংলাদেশের পেস আক্রমণ এমন, যারা অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনেও কার্যকর হতে পারে।