ঢাকা
২৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
গুমের শিকার ব্যক্তিদের নিয়ে গত দুই বছর আন্ডারমাইনিং করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২৭ হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজারে প্লাবনের শঙ্কা আসামিদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত রংপুর আইনজীবী সমিতির ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আরেক ছিনতাইকারী নিহত ঢাকার যানজট কমাতে বাস টার্মিনাল পুনর্বিন্যাসসহ প্রধানমন্ত্রীর ৭ নির্দেশনা ৩১ ঘণ্টার যানজটের পর ধীরে চলছে গাড়ি, এখনো ভোগান্তি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৯৪ ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে সংসদে দেওয়া বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ হাসনাত আবদুল্লাহর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট হ্রদে পানি উপচে নতুন আতঙ্ক

ডেস্ক রিপোর্ট
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬   ১৫ বার পঠিত
নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট হ্রদে পানি উপচে নতুন আতঙ্ক

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->

নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট একটি হ্রদের পানি শুক্রবার উপচে পড়তে শুরু করেছে। এতে দুই দিন আগে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত এলাকাগুলোতে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঝুঁকির কারণে কিছু সময়ের জন্য উদ্ধার অভিযানও স্থগিত রাখতে হয়।

গত বুধবার হিমবাহ ধসে নেমে আসা ভয়াবহ বন্যায় নেপালে ৪৮৯ জন এবং চীনের তিব্বতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। দুই দেশ মিলিয়ে এখনো এক হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

হিমবাহ ভেঙে যাওয়ার পর বিশাল শিলাখণ্ড, বরফ, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত হিমালয়ের পার্বত্য নদীগুলো দিয়ে নিচে নেমে আসে। এতে একটি হ্রদের সৃষ্টি হয়। ক্রমাগত পানি জমে হ্রদটির পানির স্তরও বাড়তে থাকে।

নেপালের কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার হ্রদের পানি উপচে ভোটেকোশি নদীতে পড়ার আগে সেখানে পানির পরিমাণ ২৫ লাখ ঘনমিটার ছাড়িয়ে যায়। আগের দিন এর পরিমাণ ছিল আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ লাখ ঘনমিটার।

রসুয়া জেলার প্রধান কর্মকর্তা নরেন্দ্র পরিয়ার রয়টার্সকে বলেন, হ্রদের তীর ভেঙে পানি প্রবাহিত হওয়ার বিষয়ে তাঁরা সতর্কবার্তা পেয়েছেন। তবে হ্রদটির আকার বা পানির উচ্চতা কতটা বেড়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। নদীতে পানির স্তর বাড়তে দেখা যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

হ্রদের পানি উপচে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে উঁচু জায়গার দিকে ছুটে যান। অন্যদিকে পুলিশ সদস্যরা দড়ি ও স্ট্রেচার নিয়ে উদ্ধারকাজের জন্য প্রস্তুত অবস্থায় ছিলেন।

৪০ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা শান্তি তামাং বলেন, পালানোর সতর্কবার্তা শুনে তিনিও দৌড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান। বিদুর শহরে সাইরেনও বাজানো হয়। উদ্ধারকর্মীদের তাঁদের সরঞ্জামসহ নিরাপদ এলাকায় সরে যেতে বলা হয়েছিল।