https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতকে ঢেলে সাজানোর রূপরেখা তুলে ধরেছে সরকার। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক গেটওয়েতে রূপান্তর, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণ, যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি এবং পর্যটন অবকাঠামোর আধুনিকায়ন—এসব লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগোচ্ছে সরকার।
একটি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম অগ্রাধিকার ছিল খাতের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। এর অংশ হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থার বহর সম্প্রসারণে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে। নতুন উড়োজাহাজ হাতে আসার আগ পর্যন্ত লিজে বিমান আনার উদ্যোগ চলছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় নতুন ক্যাডেট পাইলট নিয়োগ এবং পাইলটদের বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের কাজও এগিয়ে চলছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন আটকে থাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর জটিলতা কাটাতে জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে নতুন সমঝোতায় পৌঁছানো হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে রাজস্ব বণ্টনের হার ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৭ শতাংশ করা হয়েছে। আগামী জুলাইয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের পর অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার (ওরাট) কার্যক্রম শুরু হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ডিসেম্বরেই তৃতীয় টার্মিনালের সফট উদ্বোধন সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তুতিও শেষ পর্যায়ে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো স্থাপনের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। কেবল সিস্টেম সমন্বয়ের কাজ শেষ হলেই সেপ্টেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর লক্ষ্য রয়েছে।