https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, তাকে নিয়ে যত ট্রল বা সমালোচনাই করা হোক না কেন, শিক্ষা খাতে নিজের দায়িত্ব থেকে তিনি বিচ্যুত হবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষা নিয়ে গঠনমূলক চিন্তার পরিবর্তে কিছু মানুষ উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। তবে তরুণ প্রজন্ম তাদের সেই চেষ্টা সফল হতে দেবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
শনিবার নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাম্প্রতিক পরীক্ষা নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা তাকে নিয়ে ট্রল করেছেন, তাদের অধিকাংশই পরীক্ষার্থী নন। তিনি দাবি করেন, দেশের কয়েকটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে দেখা যায়নি। তার ভাষ্য, পরিকল্পিতভাবে একটি নেতিবাচক বর্ণনা তৈরি করে পরিস্থিতিকে অস্থির করার চেষ্টা করা হয়েছে।
বৃষ্টির মধ্যে পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে নিজের বক্তব্যেরও ব্যাখ্যা দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, এক শিক্ষার্থী তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি পরীক্ষার্থীদের কষ্টের বিষয়টি স্বীকার করেন এবং তাদের স্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তবে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অভিযোগ, ওই বক্তব্যের একটি অংশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, লেখাপড়ার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একই খাতে দায়িত্ব পালন করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো নির্দেশ তিনি কখনোই পাবেন না এবং নিজের দায়িত্ব পালনে অটল থাকবেন।
অনুষ্ঠানে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ হাছানাত আলীর সভাপতিত্বে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম আমানুল্লাহ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. ফরিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।