ঢাকা
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম

অতিরিক্ত ডিআইজিসহ চার পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ০ বার পঠিত
অতিরিক্ত ডিআইজিসহ চার পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত

ছবি: -সংগৃহীত

সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা, আইনানুগ আদেশ অমান্য এবং দীর্ঘদিন অনুমোদন ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাবেক চার পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) সঞ্জিত কুমার রায়, ডিএমপির সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার মানস কুমার পোদ্দার, সাবেক রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজ আল ফারুক।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে পৃথক চারটি প্রজ্ঞাপনে তাদের বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

বিভাগীয় মামলার তদন্তে চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ এবং দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও সন্তোষজনক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

বিভাগীয় কার্যক্রম শেষে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ নেওয়া হয়। কমিশনও এ সিদ্ধান্তে সম্মতি দেয়। পরে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে রাষ্ট্রপতি গত ২৭ আগস্ট তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

সঞ্জিত কুমার রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা, আইনানুগ আদেশ অমান্য এবং দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তার বরখাস্তের আদেশ ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।

মানস কুমার পোদ্দারের বিরুদ্ধেও দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা ও সরকারি আদেশ অমান্যের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তার বরখাস্তের আদেশ ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে।

সাবেক রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও আর কাজে যোগ দেননি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা এবং নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি সাড়া দেননি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বরখাস্তের আদেশ ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজ আল ফারুক ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পাঁচ দিনের নৈমিত্তিক ছুটিতে যাওয়ার পর অসুস্থতার কথা জানিয়ে কয়েক দফা বিশ্রামে ছিলেন। তবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। বিভাগীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তার বরখাস্তের আদেশও ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

September 2026
SMTWTFS
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930