ঢাকা
৩০ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
কুয়াকাটার সাগরে জেলের জালে বিরল চামড়া মাছ গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচারে বিশ্বজুড়ে ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যায় নিহত ৬৭৫, নিখোঁজ ২,৪০০ চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে লালদিয়া টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর আজ দস্যুতার প্রস্তুতিকালে ‘কব্জিকাটা আনোয়ার’ ও ‘আই ডোন্ট কেয়ার’ গ্রুপের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার শুল্কমুক্ত সুবিধায় ভারত থেকে আনা ১০ ট্রাক কাগজ আটক জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ৯ দফা দাবি অল্টারনেটিভসের দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা, ৮ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী গুমের শিকার ব্যক্তিদের নিয়ে গত দুই বছর আন্ডারমাইনিং করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দস্যুতার প্রস্তুতিকালে ‘কব্জিকাটা আনোয়ার’ ও ‘আই ডোন্ট কেয়ার’ গ্রুপের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬   ৩ বার পঠিত
দস্যুতার প্রস্তুতিকালে ‘কব্জিকাটা আনোয়ার’ ও ‘আই ডোন্ট কেয়ার’ গ্রুপের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদীয়া হাউজিং এলাকায় দস্যুতার প্রস্তুতিকালে ‘কব্জিকাটা আনোয়ার’ ও ‘আই ডোন্ট কেয়ার মোহাম্মদপুর’ গ্রুপের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-২। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি সামুরাই উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মো. রাফাত চকদার (২৫), মো. হানিফ হোসেন ওরফে জয় (২৬) ও মো. চাঁন মিয়া (২০)।

শনিবার (২৯ আগস্ট) র‍্যাব-২-এর সিপিসি কোম্পানি কমান্ডার হাসান মুহতারিম এ তথ্য জানান।

র‍্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদীয়া হাউজিং এলাকায় কয়েকজন দুষ্কৃতকারী দস্যুতার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানতে পারে তারা। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে র‍্যাব জানতে পারে, গ্রেপ্তার তিনজন ‘কব্জিকাটা আনোয়ার’ ও ‘আই ডোন্ট কেয়ার মোহাম্মদপুর’ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিনতাই, দস্যুতা, মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেছে র‍্যাব।

র‍্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘কব্জিকাটা আনোয়ার’ গ্রুপের প্রধান আনোয়ারসহ অধিকাংশ সক্রিয় সদস্যকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি মোহাম্মদপুরে ‘আই ডোন্ট কেয়ার মোহাম্মদপুর’ নামে আরেকটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এ গ্রুপের অ্যাডমিন হিসেবে ‘আইডিসি সোহেল’-এর নাম পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার রাফাত ও জয়কে জিজ্ঞাসাবাদে চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের ১১ নম্বর এলাকায় মকবুল (২০) নামে এক যুবকের আঙুল কেটে দেওয়ার একটি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। ঈদুল আজহার পর ওই ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার পর মকবুল ময়মনসিংহ এলাকায় চলে গেছেন বলে ধারণা করছে র‍্যাব। তার বিস্তারিত পরিচয় ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

পিসিপিআর যাচাইয়ের বরাত দিয়ে র‍্যাব জানায়, রাফাত চকদারের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় ছিনতাই ও দস্যুতার প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আদাবর থানায়ও দস্যুতার একটি মামলায় তিনি অভিযুক্ত।

হানিফ হোসেন ওরফে জয়ের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মারামারি, হত্যাচেষ্টা, ছিনতাই, দস্যুতার প্রস্তুতি ও মাদক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

অন্যদিকে চাঁন মিয়ার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানায় দ্রুত বিচার আইন, ছিনতাই, মাদক ও দস্যুতার অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার তিনজন ও উদ্ধার করা আলামতের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব-২।