নির্বাচনী ব্যয়সংক্রান্ত তথ্য দাখিলের সময় প্রার্থীর পাশাপাশি নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক হিসাব নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ সংশোধন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৯৪ অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধনের কথা জানায় ইসি।

সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের ফরম-১-এ নির্বাচনী ব্যয় পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাবের তথ্যের সঙ্গে প্রার্থী অথবা তার নিয়োজিত নির্বাচনী এজেন্টের হিসাব নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

এ ছাড়া প্রার্থীর হলফনামা সংক্রান্ত বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। হলফনামার সংযুক্তি-১-এর ক্রমিক ৩(খ)-এর বিশেষ দ্রষ্টব্যে আগে যে তথ্য ‘সংযুক্ত করিতে হইবে’ বলা ছিল, এখন তা ‘দাখিল ঐচ্ছিক মর্মে বিবেচিত হইবে’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

হলফনামার সংযুক্তি-১-এর ক্রমিক ৩(গ)-এ ‘অভিযুক্ত’ শব্দটির ব্যাখ্যাও যুক্ত করা হয়েছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক যার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে, তাকেই ‘অভিযুক্ত’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

প্রার্থীর স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান ও নির্ভরশীলদের আয়করসংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালায় এসব তথ্য প্রদানকে ঐচ্ছিক করা হয়েছে।

এদিকে নির্বাচনী প্রতীকের বিধানেও সংশোধন আনা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, স্থগিত প্রতীক বাদ দিয়ে তালিকাভুক্ত প্রতীকগুলোর মধ্য থেকে প্রাপ্যতা সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে যে কোনো একটি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া যাবে।

গেজেটে মোট ১২০টি নির্বাচনী প্রতীকের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৫ নম্বর প্রতীক হিসেবে ‘নৌকা’কে স্থগিত দেখানো হয়েছে।