নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদরাসার ছাদে খেলার সময় বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচ ছাত্রীর মধ্যে জিদনী (১৪) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে আতিয়া আক্তার (১১) নামে আরেক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুইজনে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় জিদনীর মৃত্যু হয়। তার শরীরের প্রায় ৮২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ সিকদার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, জিদনী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। একই ঘটনায় দগ্ধ লামিয়াও আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। সুমাইয়া আক্তার ও আছিয়া আক্তারের শরীরে দগ্ধের পরিমাণ তুলনামূলক কম। তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে তারাও পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নন।
জানা গেছে, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফতুল্লার হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন মহিলা মাদরাসার তিনতলা ভবনের ছাদে কয়েকজন ছাত্রী খেলাধুলা করছিল। এ সময় পাশের বৈদ্যুতিক লাইনের একটি ট্রান্সমিটার বিস্ফোরিত হয়ে ছাদের ওপর এসে পড়ে। এতে পাঁচ শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়।
পরে আহতদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকেলে আতিয়া আক্তারের মৃত্যু হয়। একদিন পর মারা গেল জিদনীও।

মন্তব্য করুন