মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চসিকের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে শতাব্দীপ্রাচীন চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের সামনে পদ্মফুল স্থাপনের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। বৌদ্ধ দর্শনে পদ্মফুল পবিত্রতা, প্রজ্ঞা ও আধ্যাত্মিক বিকাশের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
চসিকের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন করা। স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাধারণ মানুষেরও এ বিষয়ে প্রত্যাশা ছিল। অবশেষে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সেই দাবি বাস্তবায়িত হয়েছে।
এ উদ্যোগের জন্য চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
পদ্মফুলের নান্দনিক নকশা ও বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজানো গোলচত্বরটি নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি ধর্মীয় ঐতিহ্যকে দৃশ্যমানভাবে তুলে ধরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক সহাবস্থানের জন্য পরিচিত চট্টগ্রামে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য সংরক্ষণ নগর উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনে পদ্মফুলের গোলচত্বর নির্মাণকে সেই ধারাবাহিকতার একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নগরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরতে এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, নতুন এই গোলচত্বর নগরের নান্দনিকতা বাড়ানোর পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবেও পরিচিতি পাবে।

মন্তব্য করুন