মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নয়াদিল্লির রাইসিনা রোডে এনএসইউআইয়ের সদর দপ্তরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ‘আঙুল তো উঠেগি, রাবণ দহন’ স্লোগানে আয়োজিত এই প্রতিবাদে তরুণদের সমস্যা সমাধান এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ট্রিবিউন ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুশপুত্তলিকায় মোদি, অমিত শাহ ও জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি শিল্পপতি গৌতম আদানি ও মুকেশ আম্বানি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখাবয়বও ছিল।
এ ছাড়া এতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, বিজেপি নেতা রাজনাথ সিং ও দুষ্যন্ত গৌতমের মুখাবয়ব রাখা হয়।
এনএসইউআইয়ের দাবি, রাবণের দশটি মুখের মাধ্যমে ভোটে কথিত অনিয়ম, প্রশ্নপত্র ফাঁস, বেকারত্ব, জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার, সাম্প্রদায়িকতা এবং নারীর বিরুদ্ধে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষা দেওয়ার মতো বিষয়গুলো প্রতীকীভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
সংগঠনটির জাতীয় গণমাধ্যমবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত রবি পান্ডে বলেন, বিজয়া দশমী অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক। এই আয়োজনের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
এনএসইউআইয়ের দিল্লিবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত অখিলেশ যাদব জানান, সংবিধান রক্ষা, নির্বাচনে জবাবদিহি নিশ্চিত করা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগও দাবি করে আসছে সংগঠনটি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

মন্তব্য করুন