https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব শুরুর আগে নিজেদের সামর্থ্যের পূর্ণ প্রদর্শনী করল ব্রাজিল। স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কার্লো আনচেলত্তির দল জানিয়ে দিল, শিরোপার দৌড়ে তারা অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার। আর এই জয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুই গোল করে দলের জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ম্যাচের শুরু থেকেই তিনি ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। একটি গোল বাতিল না হলে হ্যাটট্রিকও পূর্ণ হতে পারত তার। টানা তিন ম্যাচে ম্যাচসেরা হওয়া ভিনিসিয়ুস এখন টুর্নামেন্টের অন্যতম আলোচিত ফুটবলার।
মাত্র ছয় মিনিটে রায়ানের চাপে প্রতিপক্ষের ভুল থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোলের সূচনা করেন ভিনিসিয়ুস। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্রুনো গিমারায়েসের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। হেড থেকে গোল করার পর হাস্যরস করে জানান, কোচ আনচেলত্তিকে দেওয়া একটি প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন তিনি।
ব্রাজিলের তৃতীয় গোলটি আসে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাথিউস কুনহার পা থেকে। মাঝমাঠে গিমারায়েস ও কাসেমিরোর কার্যকর সমন্বয় এবং দুই উইংয়ে ভিনিসিয়ুস ও তরুণ রায়ানের গতিময়তা স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগকে পুরো ম্যাচে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে।
বিশেষ করে ১৯ বছর বয়সী রায়ান নিজের বিশ্বকাপ অভিষেকেই নজর কাড়েন। আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। তার পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট কোচ আনচেলত্তি বলেন, বয়সের তুলনায় রায়ানের পরিণতিবোধ এবং কাজের নৈতিকতা অসাধারণ।
দ্বিতীয়ার্ধে স্কটল্যান্ড আক্রমণে উঠলেও গোলরক্ষক আলিসনের দৃঢ়তায় কোনো সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলের ক্লিন শিট নিশ্চিত করেন তিনি।
তবে ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত আসে ৭৬ মিনিটে। দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে ফেরেন নেইমার। এক মাসের বেশি সময় ইনজুরিতে থাকার পর তার প্রত্যাবর্তনে গ্যালারিতে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। গোল না পেলেও কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তুলে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, এখনও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হয়ে আছেন।