https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
তৃতীয় বা পরবর্তী সন্তানের ক্ষেত্রে মাতৃত্বকালীন ছুটি ও সুবিধা সীমিত করার বিধান কেন সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন।
রুলে শ্রম আইনের ৪৬(১) ও ৪৬(২) ধারা এবং বাংলাদেশ সার্ভিস রুলসের (বিএসআর) ১৯৭(১) ও ১৯৭(১এ) বিধি কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন, জনপ্রশাসন, নারী ও শিশুবিষয়ক, সমাজকল্যাণ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ১৩ জন বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। তাঁকে সহযোগিতা করেন তানজিলা রহমান, মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান ও ইফাত হাসান শাম্মি।
গত ১৫ জুন কর্মজীবী নারীদের মাতৃত্বকালীন অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করা হয়। আবেদনে বলা হয়, মাতৃত্বকালীন ছুটি ও সুবিধা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয় নয়; এটি মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য, মর্যাদা, সমতা এবং সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
রিটে আরও বলা হয়, তৃতীয় বা পরবর্তী সন্তানের ক্ষেত্রে মাতৃত্বকালীন সুবিধা থেকে কর্মজীবী নারীদের বঞ্চিত করা বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানপরিপন্থী। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন নীতিমালার কারণে কর্মজীবী নারীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে।
শুনানি শেষে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, দেশের সব কর্মজীবী নারীর জন্য বৈষম্যহীন ও সমান মাতৃত্বকালীন অধিকার নিশ্চিত করতেই এ রিট করা হয়েছে। তাঁর মতে, মামলার চূড়ান্ত রায় মাতৃত্বকালীন অধিকার, কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা এবং শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হতে পারে।