https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
টানা চার কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের দুই শেয়ারবাজারেই দেখা দিয়েছে নিম্নমুখী প্রবণতা। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম উভয় শেয়ারবাজারের সূচক কমেছে। একই সঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও।
দিনের শুরুতে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তবে কিছুক্ষণ পর থেকেই বিক্রির চাপ বাড়তে থাকে। শেষদিকে প্রায় সব খাতেই দরপতন দেখা দিলে সূচক নেতিবাচক অবস্থানে থেকে লেনদেন শেষ হয়।
দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ১০৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২৪০টির দাম কমেছে এবং ৫২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো মানের ৩০টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৫টির শেয়ারদর বেড়েছে, ২৪টির কমেছে এবং একটি অপরিবর্তিত রয়েছে।
দরপতনের ফলে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯০০ পয়েন্টে। ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ২২৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২০৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
লেনদেনেও বড় ধরনের ভাটা পড়েছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ১ হাজার ১১৮ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৫১৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা। ফলে একদিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ৩৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও একই চিত্র দেখা গেছে। সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৫৫ পয়েন্ট কমেছে। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৬টির দাম বেড়েছে, ১১৬টির কমেছে এবং ২২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে এদিন মোট ১৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩২ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ফলে এ বাজারেও লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।