সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। পরে সফিপুর, চন্দ্রা, কোনাবাড়ী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।
সকাল ১১টার দিকে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিতে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা অভিযান চালান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের ছোড়া ইটের আঘাতে বিজিবির এক সদস্য আহত হন।
দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকায় পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। এ সময় সময় টিভির প্রতিবেদক ও ক্যামেরাপারসনের ওপর হামলা চালিয়ে ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়। এর আগে আরও কয়েকজন সাংবাদিক হামলা ও মারধরের শিকার হন। তাঁদের মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানান, শ্রমিক আন্দোলনের কারণে দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।
এর আগে রোববারও একই দাবিতে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। ওই দিন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রায় ছয় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। শ্রমিকদের দাবি আদায় না হওয়ায় আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। ফলে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা ও জনদুর্ভোগ বেড়েছে।

মন্তব্য করুন