ছবি: -সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
তিনি বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত ও সংকটপূর্ণ অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত সকল শান্তিরক্ষীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর সম্মান জানান এবং আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শান্তিরক্ষী ও তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের বিভিন্ন মিশনে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় দিয়ে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন। তাঁদের অবদান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
বাণীতে তিনি বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীদের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, দক্ষতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে তাঁরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসা অর্জন করেছেন। এটি নারীর ক্ষমতায়ন এবং বাংলাদেশের অগ্রগতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও সহনশীলতার ভিত্তিতে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি ভবিষ্যতেও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে একটি উন্নত ও নিরাপদ বিশ্ব গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।