ছবি: -সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই একটি সমঝোতা চুক্তি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একটি ইতিবাচক সমাধানের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে।
তিনি দাবি করেন, চুক্তি সম্পন্ন হলে হরমুজ প্রণালি দ্রুত পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে। তবে চুক্তি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
ট্রাম্পের মতে, সম্ভাব্য সমঝোতার অন্যতম শর্ত হলো ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের প্রচেষ্টা থেকে বিরত থাকবে। এ বিষয়ে তেহরান ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমঝোতার ক্ষেত্রে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তেহরানের মতে, হামলা অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আবারও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননে চলমান হামলা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান ও হিজবুল্লাহকে ঘিরে চলমান সংঘাত এখনো শেষ হয়নি। ভবিষ্যতে কোনো হামলা হলে ইসরায়েল কঠোর জবাব দেবে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।
সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকায় সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে।