https://timenewsbangla.com

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
রাষ্ট্রপতি পদে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।
রোববার দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের মিন্টো রোডের বাসভবনে ১১ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বৈঠক শেষে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের পক্ষ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও অভিন্ন প্রার্থী দেওয়া হবে। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এলডিপি চেয়ারম্যান এবং বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি পদে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী থাকবেন।
অলি আহমদকে প্রার্থী করার কারণ ব্যাখ্যা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের চলমান সংকটের সময়ে যে ধরনের অভিভাবকত্ব প্রয়োজন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে কর্নেল অলি আহমদকে সে দায়িত্বের জন্য উপযুক্ত মনে করে ১১ দলীয় জোট।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের অবস্থান, গণভোটের ম্যান্ডেট, জুলাই সনদ এবং সংবিধান সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান নাহিদ ইসলাম।
তিনি অভিযোগ করেন, সংস্কার কমিশনের আলোচনায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তন এবং ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানোর যে প্রস্তাব উঠেছিল, তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, গণভোটে পাওয়া জনগণের রায়ের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের মাধ্যমে সংস্কারকৃত সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রত্যাশা ছিল তাদের।
সরকার গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের ভোট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে জোটের এই অংশগ্রহণও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা বহন করবে।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক হওয়া প্রয়োজন।
বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।