ঢাকা
২৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর নতুন শঙ্কা, যেকোনো সময় ভাঙতে পারে হ্রদ সিপিডির নতুন নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ কপ-৩১ সম্মেলনে অংশ নিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস, কাদার নিচ থেকে উদ্ধার ৩৮৯ মরদেহ চট্টগ্রামে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে কোটি টাকার বিএমডব্লিউ জব্দ ৩১ অননুমোদিত ঋণ অ্যাপে লেনদেন না করার সতর্কতা বিএফআইইউর শাহজালাল বিমানবন্দরে ৫ কেজির বেশি কুশসহ দুই ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার পটুয়াখালী ইপিজেডে বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত ৬০ শিল্প প্লট মেঘে ঢাকা ঢাকার আকাশ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস ট্রফি পুনরুদ্ধারের মিশনে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় রিয়াল মাদ্রিদ

নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর নতুন শঙ্কা, যেকোনো সময় ভাঙতে পারে হ্রদ

ডেস্ক রিপোর্ট
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬   ২ বার পঠিত
নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর নতুন শঙ্কা, যেকোনো সময় ভাঙতে পারে হ্রদ

ছবি: -সংগৃহীত

নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর নতুন করে বিপদের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বন্যার উৎসস্থলে তৈরি হওয়া একটি হ্রদের পানি দ্রুত বাড়ছে। যেকোনো সময় হ্রদটি ভেঙে নতুন করে ভয়াবহ বন্যা হতে পারে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবারের বন্যায় নেপাল ও তিব্বতে অন্তত ৩৮৯ জন নিহত এবং ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে শত শত বিদেশি পর্যটক রয়েছেন। প্রবল স্রোতে বাড়িঘর, সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধার অভিযানও কঠিন হয়ে পড়েছে।

নেপালে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুতে নেওয়া হচ্ছে। দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় নিখোঁজদের সন্ধানে স্বজনদের অপেক্ষাও দীর্ঘ হচ্ছে।

চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিব্বতে নদীর সংযোগস্থলে তৈরি হওয়া ‘বাধ হ্রদ’ উপচে পড়ছে এবং যেকোনো সময় সেটি ভেঙে যেতে পারে। এ কারণে বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নেপালের কর্মকর্তারা শুরুতে ভূমিকম্পকে বন্যার সম্ভাব্য কারণ বললেও পরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, হিমবাহের পাথর ও বরফ ধসে পড়ার সময় সৃষ্ট ভূকম্পনই শনাক্ত হয়েছিল; সেখানে বড় কোনো ভূমিকম্প হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয় অঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধসের মতো দুর্যোগ আরও ঘন ঘন ও তীব্র হয়ে উঠছে। দুর্গতদের জন্য এখন খাবার, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসা ও আশ্রয় সবচেয়ে জরুরি।